Showing posts with label facebook series.. Show all posts
Showing posts with label facebook series.. Show all posts

Wednesday, August 17, 2011

মুখবইয়ের টুকরো কথন-৩১

মুখবইয়ের টুকরো কথন-৩১


সুচনাহীন এক সমাপ্তি,
কিংবা সমাপ্তিহীন সূচনা,
জীবনের জীর্ণ পুজোয়,
আমি-তুমি ঠিক তাই,
বিপরীতার্থক কোন প্রতিশব্দ,
অথবা প্রতিশাব্দিক বৈপরিত্ব,
নিয়তির নীতিহীন খেলাঘরে,
আমি-তুমি ঠিক তাই,
শব্দহীন কিছু শুন্যতা,
এবং শুন্যতাহীন শব্দ,
বাস্তবতার বিবর্ণ রঙ্গমঞ্চে,
আমি-তুমি ঠিক তাই,
তবু বর্ণচোরা স্বার্থ,
নিঃস্বার্থে সাজায় জলসাঘর,
আমি-তুমি সেথায় শুধু,
সুবাসিত কাগুজে ফুলমাত্র...

Tuesday, August 16, 2011

মুখবইয়ের টুকরো কথন-৩০

 মুখবইয়ের টুকরো কথন-৩০

তবু বেচে থাকা,
এই মৃতের শহরে,
শ্মশানের স্তব্ধতায় ,
কিছু পাওয়ার জন্যে নয়,
শুধু বিলিয়ে যাই,
প্রতিবার প্রতিক্ষণ,
সবকিছুর পরে,
এখন বিলাই নিজেকে,
একটু একটু করে,
অস্তিত্বহীনতায় ভুগে ভুগে,
ক্ষয়িষ্ণু পাথুরে পথে,
সময়ের চাহিদায়,
বাস্তবতার প্রয়োজনে,
নিয়তির লীলাঘরে,
মুমুর্ষ বায়ু পুরে,
তবু বেচে থাকা...

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৯

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৯
 
আর কখনই তুমি ফিরবেনা,
জানি আমি খুব ভালোভাবেই,
উত্তাপ ফুরিয়ে গেলে যেমন,
শীতার্ত মানুষেরা পিঠ দেখায়,
তেমনি করেই তুমিও আজ,
যাচ্ছে নতুন উষ্ণতার খোজে,
এখানে কৃষ্ণকায় ছাইয়ের সতুপে,
আমি আধপোড়া টুকরো কাগজ,
অজস্র শব্দের ধোয়াটে হাহাকার,
যাদের অব্যেক্ত গভীরতা ছুয়ে,
একটি নিদারুন শুন্যতার কান্না,
আর কখনই তুমি ফিরবেনা......

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৮

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৮
 
আজ ও জোছনা আমার ঘরে কাঁদে,
তোমার হারিয়ে যাওয়ার রাত্রি,
এখনো আমায় পিছু ডেকে নেয়,
এখনো বলা না বলার বেদনায়,
আমি নির্ঘুম আঁধার গুনে যাই,
তোমার স্মৃতির দু-একটা ছেড়া পালক,
এখনো বাতাসে ভেসে বেড়ায়,
আর আমি ভুল-নির্ভুলের হিসেব খুলে,
আজ জোছনা আমার ঘরে কাঁদে,
তুমিহীনা নির্বাক আমার পানে চেয়ে....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৬

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৬
 
চোখ ফেরাতেই ভোর পেরুলো,
রাত জুড়্রেছে ফের,
কথায় খেলায় ঘড়ির কাঁটা,
পথ হেটেছে ঢের,
সময় কেন এমন করে,
করছে প্রবঞ্চনা,
ছুটির দিনের আমেজ গায়েই,
বাস্ততার আনাগোনা,
কেমন করে থামাই ওদের,
ঘুম যে আদৌ চোখে,
স্বপ্ন আমার হয়না বোনা,
সময় চুরির শোকে,
সময় আমার হচ্ছে চুরি,
সদাই নিরন্তর,
বুকপাজরে গুমড়ে কাঁদে,
ছোট্ট এ অন্তর.......

Monday, August 15, 2011

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৫

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৫
 
ঘুরে ফিরে আবার সেই তো অন্ধকার,
সেই তো রাতের জোছনার হাহাকার,
বৃষ্টির জলে পুড়ল নীরবে বুক,
ভেজা কান্নায় চাতক চোখের সুখ,
তুমি কি জানো চাপা দুখের ঘ্রাণ,
ফুসফুসজুড়ে ছড়ালো বিষের বান,
হাতের মুঠোয় শুন্যতার অট্রহাসি,
বেহিসেবী অতীত তবুওতো ভালবাসি,
তবু তোমার জন্যে থেকে থেকে বারবার,
ঘুরে ফিরে আসে সেই সে অন্ধকার.....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৪

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৪
 
জীবনের কৃষ্ণকায় কোলাহলে,
গুমোট অভিমানের কান্নায়,
চাপা ক্ষোভের অভিলাষে,
ক্ষত-বিক্ষত হই প্রতিক্ষণে,
এভাবেই কেন পরাজিত হই?
চোখ বন্ধ করে নীরবে,
কেন হেঁটে যাই পায় পায়?
সময়ের স্রোতে ভাঙ্গি নিয়ত,
অতল গহ্বরের হাতছানিতে,
হতাশার চিতায় লেলিহান শিখায়,
এভাবেই কেন সপে দেওয়া,
নিজেকে পূজার অর্ঘ্য করে?
ওই দেবতার আসনটাতে,
আমিও তো অসীন ছিলেম,
আজ কেন পূজারীর বেশে,
এভাবেই নতমুখ আত্মসমর্পণ?...

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৩

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২৩
 
হারিয়ে গেছে জোছনা আমার,
পিচঢালা পথ বেয়ে,
এখন শুধু ঝাপসা চোখে,
থাকি তাতে চেয়ে,
প্রানের পরম কাছের স্বজন,
আছিস যত দুরে,
স্মৃতির মেঘে রোদের আচল,
থাকবি হৃদয় জুড়ে,
নাম দিয়েছি বন্ধু তাদের,
বন্ধু দিবানিশি,
দুরত্ব সব ঘুচিয়ে দিয়ে,
থাকিস পাশাপাশি.....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২২

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২২
 
চুপিসারে রাত ডুবে যায়,
মেঘ জেনে যায় সব,
তোমায় নিয়ে কল্পনাতে আমার,
সাদাকালো হাজার ছবির গল্প,
খাতার ভাঁজে কালির সাজে,
জমাট কথার শান্ত সাগর,
বৃষ্টি তাদের জলের খামে ভরে,
ছুড়ে দিল তোমার জানালাতে,
ভোরের আলোয় ঘুমভাঙ্গা চোখে,
তুমি কি তাদের বুঝতে পারো?
চিনতে কি পারো স্বপ্ন শোকে,
হাজার সুতোর নকশী বুনন?
ভালবাসার আকাশ ছেড়ে কেন,
লুকোও তুমি ইট-পাথরের কোলে,
রাত্রি আমার শুন্যতাতে কাঁদে,
তোমার চুলের গন্ধ পাবে বলে......

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২১

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২১
 
চললাম তবে ফের,
যদি ইচ্ছে করে,
পথ আগলে দাড়িয়,
যদি মন কাদে,
বুকে জড়িয়ে রেখো,
যদি দুঃখ জাগে,
বেধে নিও তবে,
জানি সবটাই ভুল,
শুরু থেকে শেষ,
বাস্তব এবং কল্পনা,
অতীত থেকে বর্তমান,
সর্বত্রই ভুলের ছড়াছড়ি,
তাই চললাম ফের,
চুকিয়ে সকল দেনা,
বিকিয়ে যত আশা,
মাখামাখি আলো আঁধারে,
যদি বুঝতে পারো,
তবে আটকে রেখো,
ভালবাসার বিনিসুতোর বাধনে,
চললাম তবে ফের.....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২০

মুখবইয়ের টুকরো কথন-২০
 
ভুলের দরজায় খিড়কি এটে,
হেটে চলি অজানার পানে,
শুদ্ধতার বিশুদ্ধ অমৃতের খোঁজে,
যদিও জীবনের অলিতে গলিতে,
এখন চরে নিষিদ্ধ রাত্রি,
তবু আয়নার স্বচ্ছ বিম্বে,
কিসের যেন হাতছানি দেখে,
মেনে নিয়েছি মনের মিনতি,
ওই ধ্রুবতারাকে সত্য জেনে,
তুচ্ছ করি সকল মায়া,
এখন চোখে সোনালী বিকেল,
হলদে আলোয় বর্তমান হাসে,
আর আমি সবকিছু ভুলে,
ভুলের দরজায় খিড়কি এটে,
চলেছি শুদ্ধ হব বলে,
শুদ্ধ মানুষ হবার পণে....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৯

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৯
 
দেখি নিন্দুকেরা কানাঘুষা করছে পরস্পরে,
ভালবাসা ভালো নেইকো ভালবাসার ঘরে,
ঘড়ির কাঁটা হাসতে দেখে মুখটি গোমড়া করে,
বলি সবটাই হেসনাকো,রেখো কিছু ধরে,
হয়ত ভোরের ঘুম ভাঙ্গেনি ডাকেনি তাই পাখি,
মিশমিশে এ রাতের কিন্তু নেয়তো বেশি বাকি,
সবুজ আলোয় শিশির হেসে পড়বে যখন ঝরে,
নিন্দে কাঁটায় নুনের ছিটায় সইবে কেমন করে?...

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৮

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৮
 
আমি বহু দুখের রংধনুতে,
এখন মুছে নিয়েছি চোখ,
তোমার শাড়ির কোমল আঁচল,
কোনো প্রয়োজন নেই আর,
তোমার চোখের কাজল কালোয়,
বৃষ্টি এখন ভয় পাইনে আর,
বুকের সাগর উগরে দিয়েছি,
জলের ধারায় ভিজেছে সময়,
আমার দেয়াল ঘড়ির পেন্ডুলামে,
মরচে ধরেছে নোনা স্রোতে,
এখন আর এই জীবনে,
প্রয়োজন নেই কোনো তোমার,
নেই প্রয়োজন ভালবাসার আর.....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৭

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৭
 
আজ তোমায় দেখে,
ওদের কেউ কেউ,
সুন্দর খুঁজে বেড়ায়,
দেহের ভাঁজে ভাঁজে,
লোলুপ দৃষ্টির উত্তাপে,
ওরা পুড়ে ছাই হয়ে যায়,
তবু তোমাকে ঘিরে রেখে,
অশ্লীল শব্দের স্রোতে স্রোতে,
ভালবাসার বীজ বুনে,
শরীরের অলিতে গলিতে,
যেন দেহ-সর্বস্স উষ্ণতায়,
লুকায়িত সমস্ত সুন্দর.

আর অনাধুনিক আমি,
তোমায় ছেড়ে দেই,
অনাবিল সবুজের কোলে,
প্রজাপতির ডানা ছুয়ে,
বর্ষায় ভেজা কদমে,
কলকল নদীর মতন,
ছপছপ নীল আকাশে,
তুমি চঞ্চল ঘাসফড়িং,
পৃথিবীর সমস্ত সুন্দর,
তুমি তোমার করে নিলে,
আমার তুমি প্রকৃতির মত,
নির্মল সুন্দরের প্রতিবিম্ব.

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৬

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৬
 
তুমি চলে যাওয়ার পর,
কতকিছু যে ঘটলো,
কোনটা রেখে কোনটা বলি,
মজার কথা কি জানো,
এরই মাঝে মানুষগুলো সব,
অস্থিরতায় ভুগতে শুরু করেছে,
সত্য-মিথ্যের বালাই নেই,
ভালো-মন্দের চিরাচরিত সজ্ঞা,
বদলে যেতে শুরু করেছে,
মানুষগুলো সব বদলে যাচ্ছে,
জানো মাঝে মাঝে কি ভাবি?
তুমিও কি ওদের মতই বদলে যেতে?
যাহ,তা কখনই হবার নয়,
তুমি কিভাবে বদলে যাবে বল,
তুমিতো আমার জীবন ধ্রুবক,
তুমি কি বদলাতে পারতে?....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৫

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৫
 
আজ সারাদিন বৃষ্টি হলো,
শহরটার চেহারাই বদলে গেল,
মনে হচ্ছিল জলা-ডোবা যেন,
খিটখিটে মেজাজে বসেই ছিলেম,
কিচ্ছু করার ছিলনা আমার,
তবে তুমি বললে বেরুতাম,
ঘুর্নিঝড়ের তোয়াক্কাও করতামনা,
কিন্তু তোমার অভিমানগুলো,
ওই কালো মেঘের মতন গাঢ,
অঝোর শ্রাবনেও যেন ক্লান্তিহীন,
আর আমি যেন এই শহরের অলি-গলি,
একাকার তবু নীরব চাহনি,
খুঁজে যাই হঠাত জাগা রংধনু ,
মেঘ্ভেদ করে উকি দেওব সুর্যের মতন,
মুঠোফোনের ওপাশে তোমার হাসির ঝিলিক,
অভিমান কেটে ভালবাসার খানিক উচ্ছাস...

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৪

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৪
 
নামের মানুষ ঢের দেখেছি প্রানের মানুষ চাই,
মনে-প্রাণে মানুষ এমন মানুষ কোথায় পাই?
অমানুষের মুখোশ মিছিল স্রোতের টানে যাই,
মানুষ হয়েও ওই অমানুষে নিজেরে লুকাই,
আছে কি কেউ সাহসভরে ভাঙ্গবে দেয়ালটাই,
আধার ঘরে জালবে আলো কাঠির দিয়াশলাই,
আমি মানুষ খুজি মানুষ এমন দাওনা এনে ভাই,
মনে-প্রাণে মানুষ এমন মানুষ কোথায় পাই?....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৩

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১৩
 
তোমার কোলে দুঃখ ভুলে,
গল্প বোনার রাত,
শুন্যতাদের দূরে ঠেলে,
ধরছি তোমার হাত,
খোলা চুলের কালো মেঘে,
হাওয়ার উদম নাচ,
তোমার মুখের হাসির আভায়,
জোছনার মৃদু আঁচ,
তোমার পানে চেয়ে চেয়ে,
স্বপ্ন সাজা ফের,
বলব কত বলেছিতো,
ভালো লাগে ঢের......

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১২

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১২
 
কি এমন হলো হঠাত করে,
এভাবে ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেলে,
তোমার কপালের নীল টিপটি,
অভিমানে নীল হয়ে খসে পড়লো,
আকাশের কোনো দূর নক্ষত্র ও,
বোধ করি এভাবে খসে পড়েনি,
হাতের রং-বেরঙের বেলোয়ারি চুড়ি,
মুহুর্তেই ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হলো,
বৃষ্টির জল ও বোধহয় কখনো,
এত টুকরো হয়ে ঝরেনি,
চোখ তার ভোরের সুর্য যেন,
লালচে আভায় লজ্জা পেত সেও,
শীতের ঘন কুয়াশারাও কখনো,
এত ঝাপসা করতে পারেনি তাকে,
কি এমন হলো হঠাত করে,
কেন ওভাবে সেদিন চলে গেলে তুমি,
ভালবাসার অপার সুর্যাস্ত পানে.....

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১১

মুখবইয়ের টুকরো কথন-১১
 
কিছু অভিমানের শেষ নেই,
আমার চোখ সেটা জানে,
আমার মুখ সেটা বোঝে,
আমার ভাবনা সেটা ভাবে,
তবু যখন সবকিছু মিলিয়ে,
আমি মানুষ হিসেবে দাড়াই,
তখন কি এক কৃষ্ণ আচ্ছাদনে
আমার বিবেক অন্ধ হয়ে পড়ে,
আমি মনুষত্বের সীমানা পেরিয়ে,
কোনো এক প্রষেলিকায় ডুব দেই,
কোনো এক শকুনী ডানায়,
আমি ভর করে উড়ে যাই,
আমি পথহীন পথিকের বেশে,
হয়ে পড়ি পৈশাচিক উন্মাদনা,
আর তখন হাজারটা অভিমানী মুখ
নীল হয়ে যায় বেদনায়,
হাজার ভয়ার্ত চোখের আঙ্গিনায়
প্রবল জলোচ্ছাসের নোনা উত্তাপে,
জীবন হয়ে পড়ে অর্থহীন,
আমি এই কুলীন সমাজের,
বর্বর বেদুইন বিবেকবোধ.